সাঈদ মাহমুদ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন দেশনেত্রীর জ্যেষ্ঠপুত্র জনাব তারেক রহমান।তিনি দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। নির্বাসিত থাকলেও দৈব কারণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ( বিএনপি) বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র- জনতার অভ্যূত্থানে ফ্যাসিবাদি শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। হাসিনা সরকারের পতনের ফলে তারেক রহমানের দেশে ফেরার এ সৌভাগ্য হয়। একই আন্দোলনে বিএনপির জেলে থাকা, পালিয়ে থাকা সকল নেতা-কর্মী রাজনীতির মাঠে ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর আগে বার বার বিভিন্নভাবে অহিংস- সহিংস উপায়ে আন্দোলনের চেষ্টা করলেও জনসম্পৃক্ততার অভাবে দলটি তেমন কিছু অর্জন করতে পারেনি। ফলে “ঈদের পরে আন্দোলন” একটি আলোচিত ট্রলে পরিণত হয়।
২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, হাওয়া ভবন কেলেঙ্কারী, বিদ্যুতের খাম্বা কেলেঙ্কারী , অর্থ পাচারসহ আলোচিত কয়েকটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমান।
হাসিনা সরকারের জেল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদন করেন তিনি। তখন রাজনীতিতে না ফেরার শর্তে মুচলেকা দিয়ে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ মেলে তার।
পরবর্তীতে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় পান তিনি। পেয়ে যান ব্রিটিশ নাগরিকত্ব।
দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতিতে তার খুব বেশি অবদান লক্ষ্য করা যায় নি। তবুও পারিবারিক সূত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তিনি। রাজনীতিতে তার চেয়ে ত্যাগী অনেক নেতা থাকলেও উত্তরাধিকার সূত্রে দলের চেয়ারম্যান পদে তারেক।
